PAKHI DEKHOON PAKHI CHINOON #656. OBSERVE THE BIRD AND RECOGNIZE...TAWNY BELLIED BABBLER ... WATERCOLOUR...A4.... 2016..[From the photograph of Mr. RAVIRAJA PONNUSWAMY]... The Tawny-bellied babbler (Dumetia hyperythra) also known in older Indian works as the rufous-bellied babbler is a small babbler that forages in groups in low scrub forests. Like other members of the large Old World babbler family they arepasserine birds characterised by soft fluffy plumage. Found in small groups that skulk inside scrub, three subspecies are recognized in South Asia. The nominatehyperythra and albogularis found in India and phillipsi of Sri Lanka.
The tawny-bellied babbler is a small babbler at 13 cm including its long tail. It is dark brown above and orange-buff below, with a rufous grey crown. The feathers on the forehead are stiff and the tail has cross rays and is otherwise olive brown. The throat is white in the populations of peninsular India and Sri Lanka. The Sri Lankan population however has a larger beak and paler underparts.
Like most babblers, it is not migratory, and has short rounded wings and a weak flight. It feeds mainly on insects and nectar.The vocalisation patterns are distinct among the subspecies.[INFO:WIKIPEDIA]
পাখি দেখুন পাখি চিনুন #656...WATERCOLOUR...A4.... 2016..[From the photograph of Mr. Raviraja Ponnuswamy ]...টওনি বেলিড ব্যাবলার (Dumetia hyperythra)পাখিকে রুফাস বেলিড ব্যাবলার নামেও এর ডাকা হয়ে থাকে। একটি ছোট ব্যাবলার যে কম ঘনত্বের বন জঙ্গলে দল বেঁধে ঘুরে বেড়ায়। ওল্ড ওয়ার্ল্ড ব্যাবলার পরিবারের অন্যান্য সদস্যের মতো এরাও নরম তুলতুলে পালকের আবরণ যুক্ত পাখি এবং পাসারিন গোত্রের। দক্ষিণ এশিয়ায় তিনটি প্রজাতি স্বীকৃত হয়েছে।ছবিতে দেওয়া hyperythra এবং albogularis ভারতে পাওয়া যায় এবং শ্রীলংকাতে phillipsi প্রজাতি।
টওনি বেলিড ব্যাবলার এর লেজ সহ মাত্র 13 সে.মি., অর্থাৎ এটি একটি ছোট ধরনের ব্যাবলার। উপরে গাঢ় বাদামী এবং নিচে কমলা-বাদামি রঙ, একটি রুফাস ধূসর মুকুট থাকে মাথায়। কপালে পালক শক্ত শক্ত এবং জলপাই বাদামী রঙের লেজ। গলা উপদ্বীপীয় ভারত ও শ্রীলঙ্কায় সাদা রঙের। শ্রীলঙ্কার প্রজাতির অবশ্য একটি বড় ঠোঁট থাকে তুলনামূলক ভাবে এবং দেহের নিম্নভাগের রঙ ফ্যাকাশে হয়।
অন্যান্য ব্যাবলারদের মতো এটি পরিযায়ী নয়। ছোট বৃত্তাকার পাখা এবং এদের ওড়ার ক্ষমতাও সীনিত। এরা পোকামাকড় এবং ফুলের মধু খেতে ভালোবাসে।এদের ডাকের ধরণ উপপ্রজাতির মধ্যে স্বতন্ত্র।
The tawny-bellied babbler is a small babbler at 13 cm including its long tail. It is dark brown above and orange-buff below, with a rufous grey crown. The feathers on the forehead are stiff and the tail has cross rays and is otherwise olive brown. The throat is white in the populations of peninsular India and Sri Lanka. The Sri Lankan population however has a larger beak and paler underparts.
Like most babblers, it is not migratory, and has short rounded wings and a weak flight. It feeds mainly on insects and nectar.The vocalisation patterns are distinct among the subspecies.[INFO:WIKIPEDIA]
পাখি দেখুন পাখি চিনুন #656...WATERCOLOUR...A4.... 2016..[From the photograph of Mr. Raviraja Ponnuswamy ]...টওনি বেলিড ব্যাবলার (Dumetia hyperythra)পাখিকে রুফাস বেলিড ব্যাবলার নামেও এর ডাকা হয়ে থাকে। একটি ছোট ব্যাবলার যে কম ঘনত্বের বন জঙ্গলে দল বেঁধে ঘুরে বেড়ায়। ওল্ড ওয়ার্ল্ড ব্যাবলার পরিবারের অন্যান্য সদস্যের মতো এরাও নরম তুলতুলে পালকের আবরণ যুক্ত পাখি এবং পাসারিন গোত্রের। দক্ষিণ এশিয়ায় তিনটি প্রজাতি স্বীকৃত হয়েছে।ছবিতে দেওয়া hyperythra এবং albogularis ভারতে পাওয়া যায় এবং শ্রীলংকাতে phillipsi প্রজাতি।
টওনি বেলিড ব্যাবলার এর লেজ সহ মাত্র 13 সে.মি., অর্থাৎ এটি একটি ছোট ধরনের ব্যাবলার। উপরে গাঢ় বাদামী এবং নিচে কমলা-বাদামি রঙ, একটি রুফাস ধূসর মুকুট থাকে মাথায়। কপালে পালক শক্ত শক্ত এবং জলপাই বাদামী রঙের লেজ। গলা উপদ্বীপীয় ভারত ও শ্রীলঙ্কায় সাদা রঙের। শ্রীলঙ্কার প্রজাতির অবশ্য একটি বড় ঠোঁট থাকে তুলনামূলক ভাবে এবং দেহের নিম্নভাগের রঙ ফ্যাকাশে হয়।
অন্যান্য ব্যাবলারদের মতো এটি পরিযায়ী নয়। ছোট বৃত্তাকার পাখা এবং এদের ওড়ার ক্ষমতাও সীনিত। এরা পোকামাকড় এবং ফুলের মধু খেতে ভালোবাসে।এদের ডাকের ধরণ উপপ্রজাতির মধ্যে স্বতন্ত্র।
No comments:
Post a Comment